Wednesday, June 18, 2014

The Constitution of The People's Republic of Bangladesh

 

Wednesday, August 14, 2013

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮   - মার্ক- ১৬


C.P.C Lecture -1 (Intro)

THE CODE OF CIVIL PROCEDURE (C.P.C)
বা দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন যা একই বছর অর্থাৎ ১৯০৮ সালের ২১ শে মার্চ গৃহীত হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়দেওয়ানী কার্যবিধিতে মোট ১৫৮ টি ধারা এবং ৫১ টি আদেশ আছেযার মধ্যে বর্তমানে ১৫৫ টি ধারা ও ৫০ টি আদেশ কার্যকর আছেদেওয়ানী কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত বা বিশ্লেষণিক (Procedural Law) আইনযদিও এই আইনে মূল আইনের (Substantive Law) কিছু উপাদান বিদ্যমান আছে কোড (Code): দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ২(১) ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ (Sections) ও নিয়মাবলীকে (Rules) একত্রে কোড বলে রুলস (Rules): দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ২(১৮) ধারা অনুযায়ী, রুলস হল, প্রথম তফসিলে বর্ণিত অথবা ১২২ বা ১২৫ ধারার অধীনে প্রণীত নিয়মাবলী বা ফরমসমূহ
 
 
দেওয়ানী কার্যবিধি কখন থেকে কার্যকর হয় ?
উত্তর- ১৯০৯ সালের ১ লা জানুয়ারী
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় ডিক্রীদারের সংজ্ঞা দেওয়া আছে ?
উত্তর- ২(৩) ধারায়
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় সরকারী উকিল (Government Pleader)সম্পর্কে বলা হয়েছে ?
উত্তর- ২(৭)ধারায়
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় জজ(Judge)সম্পর্কে বলা আছে ?
উত্তর- ২(৮)ধারায়
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় রায় (Judgement)সম্পর্কে বলা আছে ?
উত্তর- ২(৯) ধারায়
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় জাজমেন্ট ডেটার এর বিধান আছে? এবং Judgement Debtor কে ?
উত্তর- ২(১০)ধারায়Judgement Debtor যার বিরুদ্ধে ডিক্রী হয়েছে বা জারী করার উপযুক্ত আদেশ দেয়া হয়েছে
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় উকিল(Pleader)সম্পর্কে বলা হয়েছে ?
উত্তর- ২(১৫) ধারায়
নিষেধ না থাকিলে আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মোকদ্দমার বিচার করিবেন দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা আছে
প্রত্যেক মোকদ্দমা উহা বিচারের ক্ষমতাসম্পন্ন নিম্নতম আদালতে দায়ের করতে হবে কত ধারায় বলা আছে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায়
১০যেখানে বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে কোথায় বলা আছে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারায়
১১বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত সম্পত্তির মোকদ্দমা যেখানে দায়ের করতে হবে কত ধারার বিধান ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার
১২একাধিক আদালতের এখতিয়ার অনির্দিষ্ট হলে যেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে কত ধারার বিধান ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারার
১৩দেওয়ানী মোকদ্দমা স্তানান্তরের দরখাস্ত কত ধারায় করতে হয় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারায়
১৪আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হয় কত ধারায় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
১৫ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্টে রিভিশনের দরখাস্ত করতে হয় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫(১) ধারায়
১৬দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় জজকোর্টে রিভিশনের দরখাস্ত করতে হয় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫(২)ধারায়
১৭ বিবাদীর প্রতি সমন জারী কত ধারায় করতে হয় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৭ ধারায়
১৮মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত করা হয় কোন বিধান মতে ?
উত্তর-দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ নিয়ম-১০ মতে
১৯দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করা হয় কোন বিধান মতে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা ও আদেশ ৪ নিয়ম ১ মতে
২০ বাদীর অনুপস্থিতির কারনে মোকদ্দমা খারিজ হলে ছানী/পুনরুজ্জীবিত করতে হয় কোন বিধান মতে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯ নিয়ম ৯ এবং ১৫১ ধারা মতে
২১ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন কোন বিধান মতে করতে হয় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ নিয়ম ১ এবং ১৫১ ধারা মতে
২২ দেওয়ানী আদালত কোন বিধান বলে সময় মঞ্জুর করে থাকেন ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ ধারাএবং আদেশ ১৭ নিয়ম ১ মতে
২৩ডিক্রী কত প্রকার ?
উত্তর- ২য় প্রকার
২৪ একতরফা ডিক্রী (Ex-parte Decree)কাকে বলে ?
উত্তর- বিবাদীপক্ষের অনুপস্থিতে বাদী পক্ষের অনুকুলে যে ডিক্রী প্রদান করে
২৫ দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান মতে একতরফা ডিক্রী প্রধান করা হয় ?
উত্তর- আদেশ ৯ নিয়ম ৬ মতে
২৬ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা রদ বা রহিত করা হয় কোন বিধান মতে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ নিয়ম ৪ মতে
২৭ দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধানে সেট অফ বর্নিত আছে ? এবং সেট অফ কি ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৮ নিয়ম ৬(১) সেট অফ কোন মোকদ্দমায় বাদীর দাবীর বিরুদ্ধে বিবাদী কর্তৃক টাকার পাল্টা দাবী
২৮ দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা কি ?
উত্তর- যে মোকদ্দমায় সম্পত্তির স্বত্ব বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে
২৯ অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা দায়েরের পর যদি বিবাদী তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তরের উদ্যোগ নেয় তাহলে বাদীর করনীয় কি ?
উত্তর- রায়ের পূর্ ক্রোকের আবেদন করা
৩০ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ নিয়ম ১ িএর বিধান কি ?
উত্তর- প্লিডিংস
৩১ বাদী যে সকল কারনের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে কি বলে ?
উত্তর- কজ অব এ্যাকশন
৩২Local Inspection করা হয় দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান মতে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ নিয়ম ৭ মতে
৩৩Local Investigation করা হয় দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান মতে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ নিয়ম ৯ মতে
৩৪দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ নিয়ম ১ এর বিধান কি ?
উত্তর- রিসিভার নিয়োগ
৩৫কোন ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না ?
উত্তর- সোলে ডিক্রী
৩৬দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধানে Issue বা বির্চায বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে
৩৭ ইস্যু বা বিচার্য বিষয় কয় প্রকার ?
উত্তর- ২ প্রকার
৩৮ মোকদ্দমার এক পক্ষের স্বীকৃত্ব এবং অপর পক্ষের অস্বীকৃত্ব প্রত্যেকটি বিষয় কি ?
উত্তর- বিচার্য বিষয়
৩৯অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত না মঞ্জুর হলে কি করবেন এবং কত ধারা মতে ?
উত্তর- মিস আপীল ১০৪ ধারা মতে
৪০ আপীল রিজেক্ট হলে কি করবেন ?
উত্তর- রিভিশন
৪১আরজি খারিজের সিদ্ধান্ত কি ?
উত্তর- ডিক্রী
৪২ আদালতের নির্দেশ পালনে ব্যর্থতায় আরজি খারিজ কি ?
উত্তর- আদেশ
৪৩ দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান মতে হলফনামা দিতে হয় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৯ নিয়ম ১ মতে
৪৪ ডিক্রী রদ হলে কি করতে হবে ?
উত্তর- রিভিশন
৪৫ দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় কোড (Code) উল্লেখ আছে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ২(১) ধারায়
৪৬ দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় রুল(Rule)উল্লেখ আছে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ২(১৮)ধারায়
৪৭ দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারা মতে উকিল নিয়োগ করা হয় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩ নিয়ম ৪ মতে
৪৮ আদালত সাক্ষীর প্রতি সমন জারী করেন কোন বিধান মতে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬ নিয়ম ১ মতে
৪৯মোকদ্দমা দায়েরের পর বাদী মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার সম্ভবনা দেখা দিলে কোন বিধান মতে আরজি প্রত্যাহার করবেন ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ নিয়ম ১ মতে
৫০আপীল পর্যায়ে কোন ধারা মতে বিকল্প বিরোধ নিস্পত্তি করা যায় ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯-গ ধারা মতে
৫১ডিক্রী জারী করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির কত বিধান মতে আবেদন করতে হবে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারা ও আদেশ ২১ নিয়ম ১০ মতে
৫২দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় সত্যপাঠ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ নিয়ম ১৫
৫৩ যেক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা রয়েছে অথবা প্রস্তাবিত সংশোধনীর কারনে মোকদ্দমার প্রকৃতি পরিবর্তন ঘটার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্রে কি হবে ?
উত্তর- আরজি সংশোধন করা যাবে না
৫৪ নিম্নের কোন ধরনের মোকদ্দমায় ডিক্রি জারীর প্রয়োজন নাই ?
উত্তর- ঘোষনামূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
৫৫ সহকারী জজ অথবা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কি করা যায় ?
উত্তর- জেলা জজ আদালতে রিভিশন করা যায়
৫৬সহকারী জজ বা যুগ্ন জেলা জজ আদালতের আদেশ যদি আপীলযোগ্য হয় তাহলে দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারার বিধান মতে আপীল করা যাবে ?
উত্তর- দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারা এবং আদেশ ৪৩ নিয়ম ১ অনুসারে
৫৭সহকারী জজ বা যুগ্ন জেলা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় এবং কোথায় ?
উত্তর- জেলা জজ আদালতে ১১৫(২) ধারায়
৫৮অতিরিক্ত জেলাজজ কিংবা জেলাজজের আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় রিভিশন দাখির করতে হবে এবং কত ধারায় ?
উত্তর- ১১৫(১) ধারার অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে
৫৯দেওয়ানী কার্যবিধিতে মোট কতটি ধারা আছে এবং কতটি আদেশ ও তফশীল আছে ও কয়টি অংশ ?
উত্তর- ১৫৮টি ধারা এবং ৫১টি আদেশ ও ৫টি তফশীল আছে২ টি অংশ যার মধ্যে বর্তমানে ১৫৫ টি ধারা ও ৫০ টি আদেশ কার্যকর আছে
 
C.P.C MCQ Test -1

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধি কি ধরণের আইন ?
ক মূল আইন
খ পদ্ধতিগত আইন
গ কার্যপ্রণালী সংক্রান্ত আইন
ঘ ক ও খ

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কত নম্বর আইন ?
ক ২
খ ৩
গ ৪
ঘ ৫

প্রশ্নঃ দেওয়ানী অধিক্ষেত্রকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
ক ৩
খ ৪
গ ৫
ঘ ৬

প্রশ্নঃ ডিক্রি কতো প্রকার?
ক ২
খ ৩
গ ৪
ঘ ৫

প্রশ্নঃ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত কি ?
উত্তরঃ
ক ডিক্রি
খ আদেশ
গ ডিক্রি ও আদেশ
ঘ কোনটি নয়

প্রশ্নঃ আরজি খারিজের সিদ্ধান্ত কি ?
ক ডিক্রি
খ আদেশ
গ সোলে ডিক্রি
ঘ কোনটি নয়

প্রশ্নঃ ডিক্রি রদ হলে কি করবেন?
ক আপীল
খ রিভিউ
গ রিভিশন
ঘ মিস আপীল
* সঠিক উত্তর ১-খ, ২-ঘ ,৩-গ , ৪-ক, ৫-খ, ৬-ক, ৭-গ

 
C.P.C MCQ Test -2
প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় রেস-জুডিকেটার বিধান আছে ?
ক. ১০ ধারা
খ. ১১ ধারা
গ. ১২ ধারা
ঘ. ২২ ধারা

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় প্রত্যপণের দরখাস্ত করতে হয় ?
ক. ১০৪ ধারা
খ. ১১৪ ধারা
গ. ১৪৪ধারা
ঘ. ১৫১ধারা

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতার বিধান আছে ?
ক. ১০৪ ধারা
খ. ১৪৪ ধারা
গ. ১৫১ ধারা
ঘ. ১৫২ ধারা

প্রশ্নঃ সহকারী জজ এর আর্থিক এখতিয়ার কত টাকা ?
ক. সর্বোচ্চ ২০০০০/= টাকা
খ. সর্বোচ্চ ৫০০০০/= টাকা
গ. সর্বোচ্চ ১০০০০০/= টাকা
ঘ. সর্বোচ্চ ২০০০০০/= টাকা

প্রশ্নঃ ডিক্রি রদ হলে কি করবেন?
ক আপীল
খ রিভিউ
গ রিভিশন
ঘ মিস আপীল
* সঠিক উত্তর ১-খ, ২-গ, ৩-গ , ৪- ঘ, ৫- গ ।।
C.P.C MCQ Test - 3

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ১৭ এর বিধান কি?
আর্জি ফেরত
আর্জি প্রত্যাখান
আর্জি ও জবাব প্রত্যাখান
আর্জি ও জবাব সংশোধন

প্রশ্নঃ বাদী সিলেটে, বিবাদী চট্রগ্রামে বসবাস করে এবং নালিশি জমি রাজশাহীতে অবস্থিত কোথায় মোকদ্দমা করবেন?
সিলেট
চট্রগ্রাম
রাজশাহী
ঢাকা

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১০ এর বিধান কি?
আর্জি ফেরত
আর্জি প্রত্যাখান
আর্জি ও জবাব প্রত্যাখান
আর্জি ও জবাব সংশোধন

প্রশ্নঃ স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত কি ?
ডিক্রি
আদেশ
ডিক্রি ও আদেশ
কোনটি নয়

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর বিধান কি?
উত্তরঃ
আর্জি ফেরত
আর্জি প্রত্যাখান/খারিজ
আর্জি সংশোধন
জবাব সংশোধন
 * সঠিক উত্তর ১-ঘ, ২-গ, ৩-ক, ৪-ক, ৫-খ ।।
  C.P.C MCQ Test – 4

প্রশ্নঃ পারিবারিক আদালতে কত প্রকার মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?
৩ প্রকার
৫ প্রকার
৭ প্রকার
১০ প্রকার

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ২০ এর বিধান কি?
ক্রোকাদেশ
আর্জি খারিজ
লিখিত জবাব
বিকল্প সমন জারী

প্রশ্নঃ পএিকাতে মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করলে কোথায় মোকদ্দমা করবেন?
ক. পএিকাটি সারাদেশের যেই স্থানে প্রচারিত হয়
খ. বিবাদী যে স্থানে বসবাস করে
গ. বাদী যে স্থানে বসবাস করে
ঘ. ক ও খ

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি ৩ এর বিধান কি?
ক্রোকাদেশ
সোলে ডিক্রী
সুখাধিকার অর্জন
বিকল্প সমন জারী

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় রিভিশন আছে?
৯৬ ধারা
১০৪ ধারা
১১৪ ধারা
১১৫ ধারা
 * সঠিক উত্তর ১-খ, ২-ঘ, ৩-ঘ, ৪-খ, ৫-ঘ।।
C.P.C MCQ Test -5

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় উদঘাটনের (Discovery) বিধান আছে?
২৮ ধারা
৩০ ধারা
৩২ ধারা
৩৪ ধারা

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ এর বিধান কি?
রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
আর্জি খারিজ
লিখিত জবাব
বিকল্প সমন জারী

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধিতে একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদনের বিধান কোনটি?
আদেশ ৯ বিধি ১৩
আদেশ ২৩ বিধি ১
আদেশ ২৩ বিধি ৩
আদেশ ৩৯ বিধি ৩

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় রিভিউ আছে?
৯৬ ধারা
১০৪ ধারা
১১৪ ধারা
১১৫ ধারা

প্রশ্নঃ যুগ্ম জেলা জজ -এর আর্থিক এখতিয়ার কত টাকা ?
২০০০০১ - ৩০০০০০/= টাকা
৩০০০০১ - ৪০০০০০/= টাকা
৪০০০০১ - ৫০০০০০/= টাকা
৪০০০০১ অসীম /= টাকা
* সঠিক উত্তর ১-খ, ২-ক, ৩-ক, ৪-গ, ৫-ঘ।।
      C.P.C MCQ Test -6

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারার বিধান কি?
উত্তরঃ
ডিক্রি
আদেশ
রায়
নিয়মাবলী

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির ২(৯) ধারার বিধান কি?
উত্তরঃ
ডিক্রি
আদেশ
রায়
নিয়মাবলী

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির ২(১৪) ধারার বিধান কি?
উত্তরঃ
ডিক্রি
আদেশ
রায়
নিয়মাবলী

প্রশ্নঃ “Lispendens” নীতিটি সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় গৃহীত হয়েছে?
উত্তরঃ
৪২ ধারা
৪৪ ধারা
৪৬ ধারা
৫২ ধারা

প্রশ্নঃ ছানি মোকদ্দমার সিধান্ত কি?
উত্তরঃ
ডিক্রি
আদেশ
নিষেধাজ্ঞা
হুকুম
 * সঠিক উত্তর ১-ক, ২-গ, ৩-খ, ৪-ঘ, ৫-খ।।
C.P.C MCQ Test -7
প্রশ্নঃ বাদকরন এর আদেশের বিরুদ্ধে কি করবেন?
আপীল
বিবিধ আপীল
রিভিউ
রিভিশ

প্রশ্নঃ পারিবারিক আদালতের আপীল কোথায় দায়েরের করতে হয়?
যুগ্ম জজ আদালতে
জেলা জজ আদালতে
দায়রা জজ আদালতে
হাইকোর্টে

প্রশ্নঃ পারিবারিক আদালতে সাধারনত বিচার পূর্ব কার্যপদ্ধতির জন্য অনধিক কত দিন দেওয়া হয়?
৩০ দিন
৪৫ দিন
৬০ দিন
৯০ দিন

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় মধ্যস্ততার বিধান আছে?
৮৮(ক) ধারা
৮৮(খ) ধারা
৮৯(ক) ধারা
৮৯(খ) ধারা

প্রশ্নঃ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় সালিশির বিধান আছে?
৮৮(ক) ধারা
৮৮(খ) ধারা
৮৯ (ক) ধারা
৮৯(খ) ধারা
* সঠিক উত্তর ১-খ, ২-খ, ৩-ক, ৪-গ, ৫-ঘ।।
********************************************************************** 
                   সুনির্দীষ্ট প্রতিকার আইন -১৮৭৭ মার্- ১৬ 
১।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কত সালের এবং কত নং আইন ?
উত্তর- ১৮৭৭ সালের এবং ১ নং আইন।
২।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কখন বলবৎ হয় ?
উত্তর- ১৮৭৭ সালের ১লা মে থেকে বলবৎ হয়।
৩।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে সর্বমোট কয়টা ধারা আছে ?
উত্তর- ৫৭ টি।
৪।স্থাবর স্পত্তির দখল পূরুদ্ধারের মোকদ্দমা করা হয় কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে।
৫।প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা কত ধারায় বর্নিত হয়েছে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায়।
৬।স্থাবর স্পত্তির মালিক কর্তৃক স্বত্ত্ব ও দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা করা হয় কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৪২ ধারা মতে।
৭।আইনগত পন্থা ব্যাতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত হয় তবে সে উহা পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করতে পারেন ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে।
৮।জোরপূর্বক স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হলে প্রতিকারের জন্য মোকদ্দমা করতে হবে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে।
৯।সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা যায় কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা মতে।
১০। চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে।
১১। চুক্তি প্রবলের বা বলবতের মোকদ্দমা করা হয় কত ধারা অনুসারে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে।
১২। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- যে সকল চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন  কার্যকারী করা যায়।
১৩।কোন ধারামতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন আদায় যোগ্য ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে।
১৪। যখন চুক্তিভুক্ত বা সম্মতিভুক্ত কার্যসম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত ?
উত্তর- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা হবে।
১৫।যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্তি হয়েছে এবং চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা মতে প্রতিকার দেওয়া সম্ভব ।
১৬।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- চুক্তির আংশিক বলবত সম্ভব হবে।
১৭।আদালত কত ধারার ক্ষমতাবলে চুক্তি পালনের আদেশের সাথে বাদীর জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ মঞ্জুর করে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা বলে ।
১৮। জিম্মাদারগন কর্তৃক কৃতচুক্তি যা তাদের ক্ষমতা লংঘন করে করা হয়েছে অথবা তাদের জিম্মাদারী চুক্তি ভঙ্গ করে বা করা হয়েছে ?
উত্তর- সে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
১৯।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না।
২০। যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় উহা কত ধারায় বলা হয়েছে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায় ।
২১।কোন ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধন করা যেতে পারে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা মতে।
২২।পারস্পরিক ভুলের দরুণ যখন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকার ভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না ?
উত্তর- দলিল সংশোধন করা যেতে পারে।
২৩।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা মতে চুক্তি রদ বা বাতিল করা যায় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা মতে।
২৪।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা মতে দলিল রদ বা বাতিলের মোকদ্দমা করা যায় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা মতে।
২৫। দলিল বাতিল বলতে কি বুঝেন ?
উত্তর- যে দলিল আদালত কর্তৃক বাতিল বা ভূয়া বলে ঘোষিত হয়েছে।
২৬।কে দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করতে পারেন ?
উত্তর- যার বিরুদ্ধে বাতিল দলিল সৃষ্টি হয়েছে এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশংকা রয়েছে তেমন দলিল তার গুরুত্বর ক্ষতির কারন হবে।
২৭।দলিল বাতিল করতে আদালত যে কয়টি বিষয় খেয়াল রাখবেন তা হচ্ছে ?
উত্তর- দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য, দলিল বাতিল না করলে বাদীর অপূরণীয় ক্ষতি হবে এবং আদালত ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে দলিল বাতিল করতে সক্ষম।
২৮।দলিল আংশিক বিলুপ্ত করতে পারেন কত ধারার বিধান মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান মতে।
২৯। যে পক্ষের অনুকুলে দলিল বিলুপ্তির রায় হয় সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা আদালতের আছে কোন ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা মতে।
৩০। ঘোষনামূলক মোকদ্দমা করা হয় কোন ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা মতে।
৩১।আইনানুগ পরিচয় অথবা সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী ব্যক্তি ঘোষনামূলক মোকদ্দমা করতে পারেন এমন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ?
উত্তর- যিনি আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করেছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
৩২।ঘেষনামূলক মোকদ্দমার বর্তমান কোর্ট ফি কত ?
উত্তর- ৩০০ টাকা।
৩৩। যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষনা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবী করতে সমর্থ কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে ?
উত্তর- সেখানে আদালত স্বত্বের ঘোষনা প্রদান করবেন না।
৩৪। সম্পত্তি হতে বেদখল হবারপর ঘোষনামূলক মোকদ্দমা দায়ের করলে ?
উত্তর- আদালত আরজি অচল ও অরক্ষনীয় বলে খারিজ করে দিবেন।
৩৫।ইনজাংশন কোন ধরনের প্রতিকার ?
উত্তর- নিরোধক প্রতিকার।
৩৬।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর যেভাবে করা হয়।
৩৭।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।
৩৮। কত ধারা মতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা মতে।
৩৯।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা মতে আদেশমূলক বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা মতে।
৪০। নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হবে না কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা মতে।
৪১।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- চুক্তির না-সূচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর।
৪২।চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা দায়েরর কারন সৃষ্টি হয়  ?
উত্তর- যখন প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার অথবা ভোগে হস্তক্ষেপ করে অথবা করার হুমকি দেয়, যেখানে বিবাদী বাদীর পক্ষে জিম্মাদার।
৪৩।যেখানে অধিকার লংঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না ?
উত্তর- সেক্ষেত্রে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।
৪৪।যখন একটি বাধ্যবাধকতা  ভঙ্গ করান রোধ করবার জন্য এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় ?
উত্তর- সেক্ষেত্রে আদালত আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।
৪৫।আদালত ইহা অবশ্যই ধরে নিবেন যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় ইহা কত ধারায় বলা আছে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার ব্যাখ্যায় ।
৪৬।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মোকদ্দমায় কোন বিষয়ের বিচার হয় ?
উত্তর- দখলের।
৪৭। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৪২ ধারার মোকদ্দমায় কোন বিষয়ে বিচার হয় ?
উত্তর- স্বত্ব ও দখলের ।
৪৮।আপনার স্বত্ব কেউ অস্বীকার করলে আপনি কত ধারা মতে মোকদ্দমা করবেন ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা মতে।
৪৯। আপনাকে কেউ বেদখলের হুমকি দিলে আপনি কত ধারামতে মোকদ্দমা করবেন ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা মতে।

Monday, December 23, 2013

GROUP -C

ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮
১। ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী  কার্যবিধি ১৪৫ ধারার প্রসিডিং রুজু করিবার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলি কি কি ?
১৪৫ ধারার প্রসেডিং রুজু করিবার উপাদানগুলি কি কি ?
খ) ১৪৫ ধারার প্রসিডিং এ সাক্ষ্য পরীক্ষান্তে যদি ম্যাজিষ্ট্রেট দেখেন যে, কোন পক্ষই দখলে নেই বা কোন পক্ষই বিরধীয় সম্পত্তিতে দখল আছেন তাহা নির্ধারন করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে  ম্যাজিষ্ট্রেট কি করবেন ?
গ) স্বাক্ষ্য প্রমান পর্যালোচনার ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব যদি দেখতে পান যে, বর্তমানে মামলার ভূমি নিয়ে শান্তি ভঙ্গের কোন আশংকা নেই। তাহলে তিনি কি করবেন?
ঘ) সাক্ষ্য প্রমান পর্যালোচনার পর ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব যদি দেখতে পান যে, প্রসিডিং রুজু করার ৬০ দিনের মধ্যে মামলার ভূমিতে প্রথম পক্ষের দখল ছিলনা। তাহলে প্রসিডিং এর পরিনতি কি হবে ?
ঙ) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৪৪এবং ১৪৫ ধারায় পার্থক্য নির্ণয়ক বৈশিষ্ট্য আলোচনা করুন।
২। কি কি পদ্ধতি অনুসরনে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়।
খ) প্রাথমিক তথ্য বিবরনী এবং নালিশী দরখাস্তের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করুন ?
গ) পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে কোন ফৌজদারী মামলায় অপরাধ আমলে গ্রহন বা আমলে গ্রহন না করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহনে ম্যজিষ্ট্রেট কি বাধ্য ?
ঘ) একজন  ম্যাজিষ্ট্রেট কি নিয়মিত থানাকে এজাহার গ্রহনের আদেশ দিতে পারেন ? প্রাথমীক তথ্য বিবরনী ব্যবহার ও গুরুত্ব্য পর্যালোচনা  করুন ? জি আর ও সি আর মামলার মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করুন ?
৩। তদন্ত বলিতে কি বুঝেন ? ফৌজদারী কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী পুলিশের তদন্ত সংক্রান্ত ক্ষমতা আলোচনা করুন ? পুলিশ কি আদালতে সম্পূরক চার্জশীট দাখিল করতে পারেন। পুলিশ তদন্ত কার্যসম্পন্ন করে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিষ্ট্রেট নিকট প্রতিবেদন দাখিল করে আসামীর মামলার দায় থেকে অব্যহতি দানের প্রার্থনা জানায়। পুলিশের এই রিপোর্ট ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব গ্রহন করতে বাধ্য কি যদি না হন তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব এ ব্যাপারে কি কি পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেন ?
৪। নারাজী বলতে আপনি কি বুঝেন ?  একটি নারাজী দরখাস্ত নিস্পত্তি করতে ক্ষমতাবান একজন ম্যূাজিষ্ট্রেট যে সকল ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন, আলোচনা করুন।  আইনের কোন ধারায় একজন ম্যাজিষ্ট্রেট অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করেন ইহা বর্ননা করেন। নারাজী দরখাস্ত অগ্রাহ্য হলে ম্যাজিষ্ট্রেট প্রদত্ত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার আছে কি ?
৫। ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় কি বলা হয়েছে বর্ননা করুন ? কে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ মোতাবেক আদেশ প্রদান করতে পারেন ? কি কি অবস্থায় ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ প্রদান করা হয় ? কত দিন পর্যন্ত ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ বলবৎ করা যায় ? ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ এবং ১৪৫ ধারার মদ্যে পার্থক্য নির্নয় করুন ?
৬। ক) কোন আইনের বিধান বলে হাইকোর্ট বিভাগ তার অধীনস্ত আদালত হতে ফৌজদারী মামলা তুলে নিজে বিচার করতে পারেন অথবা অধঃস্তন অন্য কোন আদালতে প্রেরন করতে পারেন আলোচনা করুন ?
খ) কোন আইনের বিধান বলে একজন ;দায়রা জজ তার অধীনস্ত যে কোন আদালত হতে ফৌজদারী মামলা তুলে এনে নিজে বিচার করতে পারেন অথবা অধীনস্ত কোন আদালতে প্রেরন করতে পারেন ????
৭। ৫৪ ধারা অনুসারে পুলিশ বিনা পরায়না ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কোন কোন অবস্থায় ?

Wednesday, December 4, 2013

GROUP - D

দন্ডবিধি- ১৮৬০
১। চুরি ? বলপূর্বক আদায়? চুরি ও বলপূর্বক আদায়ের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করুন ? ডাকাতি ? দস্যুতা ? অপহরন ও অপবাহন কি ? জালিয়াতি ? অপরাধ সংগঠনের সহযোগীতা ? প্রতারনা ? অপরাধমূলক বিশ্বাসভজ্ঞ ? আত্মরক্ষার অধিকার? বেআইনী জনতা/বেআইনী সমাবেশ ? মিসচিফ/অপরাধ জনক ক্ষতি সাধন ? সাধারন অভিপ্রায় ? সাধারন উদ্দেশ্য ???
২। সাধারন অভিপ্রায় ও সাধারণ উদ্দেশ্যের মধ্যে পার্থক্য উদাহরনসহ আলোচনা করুন ?
৩। অপরাধ সংঘটনের সহায়তা বলতে কি বুঝেন > কোন আইনের ধারায় অপরাধ সংঘটনের সহায়তার জন্য শাস্তির বিধান আছে এবং  কিপরিমান শাস্তির বিধান আছে ?
* A, B এবং C একত্রে  Z কে বিষ প্রয়োগ হত্যা করার জন্য ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়। ঐ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী A বিষ সংগ্রের জন্য B কে প্রয়োজনীয় অর্থ দেয়।  B বিষ সংগ্রহ করে C কে দেয়।   A এবং B  এর অনুপস্থিতে C  কে ঐ বিষ কে খাইয়া তার মৃত্যু ঘটায়। ঘটনার প্রেক্ষিতে Z এর মৃত্যুর জন্য উক্ত A,B  এবং C এর দায় দায়িত্ব বিশ্লেষন করুন ?
৪।ক) অপরাধ সংঘটন সহায়তা বলতে আপনি কি বুঝেন ? কোন আইনের কোন ধারায় অপরাধ সংঘটনের সহায়তার জন্য শাস্তির বিধান আছে ? অপরাধ সংঘটনে সহায়তার জন্য আইনে কি পরিমান শাস্তির বিধান আছে ?
খ) A,B এবং  একত্রে  কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ঐ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী  বিষ সংগ্রহের জন্য  কে প্রয়োজনীয় অর্থ দেয়।  বিষ সংগ্রহ করে  কে দেয়। এবং এর অনুপস্থিতিতে  ঐ বিষ কে খাইয়া তার মৃত্যু ঘটায়। ঘটনার প্রেক্ষিতে  এর মৃত্যুর জন্য উক্ত  এবং এর দায়-দায়িত্ব বিশ্লেষন করুন।
৫। নিন্দনীয় নরহত্যার সংজ্ঞা লিখুন ? কখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন হিসাবে গন্য হয় ? কখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন হিসাবে গন্য হয় না ?                          অথবা
৩০০ ধারায় ৫টি ব্যতিক্রম কি কি ?
খ্) হত্যার উদ্দেশ্যে নিন্দনীয় নরহত্যা এবং হত্যার উদ্দেশ্যহীন নিন্দনীয় নরহত্যার পার্থক্য নির্নয় করুন ?
গ) কোন ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারন নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গন্য হয় না, কিন্তু দন্ডবিধি আইন ১৮৬০ এর ৩০৪(ক) ধারায় অপরাধ বলে গন্য হয় ?
৬। আত্মরক্ষার অধিকার বলতে কি বুঝায় ? আত্মরক্ষার অধিকারের পরিধি কতটুকু উদাহরন সহ-আলোচনা করুন ? কখন আত্মরক্ষার অধিকার বলে মৃত্যু ঘটানো যায় ?
৭। দশজন ডাকাত মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে ইব্রাহিম মাষ্টারের বাড়িতে ডাকাতি করে। ডাকাতি করা কালে বাড়ির মেয়ে ছেলেদের গায়ে হাত না দেওয়ার জন্য ইব্রাহিম মাষ্টার ডাকাতদের বিশেষ অনুরোধ জানায়। ঐ সময় ডাকাত সর্দার বন্দুক দিয়ে ইব্রাহিম মাষ্টারকে গুলি করে হত্যা করে। তারপর ডাকাত দল লুন্ঠিত মালামাল নিয়ে চম্পট দেয়। বিচারের সময় আপনি ডাকাতদের বিরুদ্ধে কিভাবে পৃথক চার্জ গঠন করবেন ? আপনার উত্তরের অনূকূলে কারণ দর্শাতে হবে।
৮। প্রতারনা এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদানগুলি দন্ড বিধি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখপূর্বক আলোচনা করুন ?

Tuesday, November 5, 2013

CPC ANS

১। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে চাকুরীরত জনাব হামিদ উদ্দীনকে অতিক্রম করিয়া তাহার জুনিয়ার জনাব আব্দুল হককে ডেপুটি সেক্রেটারী পদে পদোন্নতি দেওয়া হইয়াছে। হামিদ উদ্দিন তাহার নিজের এবং আব্দুল হকের এ.সি,আর, সকল দিক দিয়া অধিকতর ভাল । মোকদ্দমা দায়েরের জন্য হামিদ উদ্দিনের এ,সি,আর, সকল সকল দিক দিয়া অধিকতর ভাল ।

মোকদ্দমা দায়েরের জন্য হামিদ উদ্দীনের কোনো কারন উদ্ভব হইয়াছে কিনা পরামর্শ দিন। যদি হইয়া থাকে তবে নিম্নলিখিত কোন আদালতে মোকদ্দমা করিতে হইবে।


অসুস্থ থাকার কারনে নিয়মিত পোষ্ট দেওয়া হয়নি এখন পর্যন্ত......................আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন . যেন আমি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়। 
আল্লাহ হাফেজ।

Monday, October 28, 2013

CPC- TEMPORARY INJUNCTION

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কি ?
উত্তর- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাঃ মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাহাতে মোকদ্দমার বিষয় বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাইতে না পারে অথবা অন্য প্রকারে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর কোন ক্ষতিসাধন করিতে না পারে , সেই জন্য মোকদ্দমা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যত বিবাদী উক্তরূপ কার্য হইতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেওয়া হয়, তাহাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলা হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৫৩ ধারা মতে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলিতে এইরূপ নিষেধাজ্ঞাকে বুঝায়, যাহা একটি সময় পর্যন্ত বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ বা কার্যকরী থাকে।
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় এবং ইহা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ ১, ২, নং বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরঃ
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর প্রসঙ্গে দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৯ আদেশের ১,২ বিধিতে বর্নিত আছে।
৩৯ আদেশের ১ বিধি মতে, যেই ক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় হলফনামা দ্বারা বা অন্যভাবে প্রমানিত হয় যে,
ক) মোকদ্দমায় জড়িত কোনপক্ষ কর্তৃক মোকদ্দমার কোন সম্পত্তি বিনষ্ট, ধ্বংস বা হস্তান্তরিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়াছে, অথবা কোন ডিক্রী জারীর দরুন বেআইনীভাবে বিক্রয় হওয়ার উপক্রম হইয়াছে,
অথবা
খ) বিবাদী তাহার পাওনাদারকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি অপসারিত বা হস্তান্তরিত করার ইচ্ছা প্রকাশ বা হুমকি প্রদর্শন করিতেছে। তবে আদালত অনুরুপ কার্যরোধ করিবার জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারেন,
অথবা
মোকদ্দমা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি বিনষ্টকরণ, ধ্বংসকরন, হস্তান্তর, বিক্রয় বা অপসারন স্থগিত ও রোধ করার জন্য উপযুক্ত কোন আদেশ দিতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২ বিধি মতে, বিবাদীকে চুক্তিভঙ্গ করা বা অন্য কোনরূপ ক্ষতিকর কার্য হইতে বিরত রাখার মোকদ্দমায় মোকদ্দমা দায়ের হইবার পর যে কোনো সময় উক্ত চুক্তিভঙ্গ বা ক্ষতিকর কার্য হইতে বা উহাদের সহিত সংশ্লিষ্ট অধিকারের সহিত সম্পর্কযুক্ত কোন ক্ষতিকর কার্য হইতে বিবাদীকে নিরস্ত করার জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করা যাইবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ৩ বিধি মতে, সকল ক্ষেত্রেই নিষেধজ্ঞা মঞ্জুর করিবার পূর্বে আদালত অপরপক্ষকে নিষেধাজ্ঞার আবেদন সম্পর্কে নোটিশ প্রদানের নির্দেশ দিবেন এবং আদালত সন্তষ্ট হইবেন যে নোটিশ জারী করা যায় নাই।
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারীর পূর্বে কেন নিষেধাজ্ঞা জারী হইবে না, এই মর্মে কারণ দর্শানোর জন্য বিবাদীকে নোটিশ দিতে হইবে। তবে যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বিলম্বের ফলে নিষেধাঞ্জার উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবে, এমতাবস্থায় অপরপক্ষকে নোটিশ না দিয়াও অন্তর্বতীকালীন নিষেধাজ্ঞা Ad-interim injunction জারী করিতে পারেন।

PLZ LIKE
http://www.facebook.com/bangladesh.law.education.

Thursday, October 24, 2013

GROUP- A

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল লিখিত পরীক্ষার সাজেশান ২০১৩
দেওয়ানী কার্যবিধি - ১৯০৮

বাংলাদেশ আইন শিক্ষা Bangladesh Law Education
this People Who Saw This Posts
2,873


https://www.facebook.com/bangladesh.law.education\
১। সংজ্ঞাঃ ক) প্লিডিংস । খ) ডিক্রী ও আদেশ। গ) রেস জুডিকেটা । ঘ) অন্তবর্তীকালীন মুনাফা। ঙ) মোকদ্দমার কারন। চ) সেট অফ। ছ) রায়ের পূর্বে ক্রোক। জ)বিকল্প সমন জারী। ঞ) স্থানীয় তদন্ত । ট) প্লিডিংস সংশোধন। ঠ) আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা। ড) রিসিভার। ঢ) আইনানুগ প্রতিনিধি। ণ) সোলে ডিগ্রী। ত) রেস সাবজুডিস। থ) একতরফা ডিক্রী। দ) ইস্যু। ধ) আর্থিক এখতিয়ার। ন) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। প) বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা। ফ)বিচার্য বিষয়। ব) Lispendens. ভ) রিভিউ ও রিভিশন।

২। রেস জুডিকেটা বলিতে কি বুঝায় ? রেস জুডিকেটা প্রয়োগ করিতে হইলে কি কি শর্ত পালিত হইতে হইবে উদাহরণসহ আলোচনা করুন। অথবা রেস জুডিকেটার বিধানবলী আলোচনা করুন ?

৩। ক) প্লিডিংস কি ?প্লিডিংস সংশোধন বলতে আপনি কি বুঝেন ? প্লিডিংস সংশোধনের ক্ষেত্রে নিয়ামক শর্তাবলী কি কি ?

খ) বিচারিক আদালত কর্তৃক রায় ঘোষনার পর কি, প্লিডিংস সংশোধন করা যায় ?

৪। ক) আরজি খারিজের কারণসমূহ সুনির্দিষ্টভঅবে উল্লেখ করুন ? আরজি খারিজ হইলে এর প্রতিকার কি ? আরজি ফেরত ও আরজি খারিজ সম্পর্ক আলোচনা করুন ? আরজি খারিজের আেইনগত তাৎপর্য কি ?

খ) মামলার কোন পর্যায়ে আরজি সংশোধনের আবেদন করা যায় ? আপীল চলাকালীন সময়ে কি আরজি সংশোধনের প্রার্থনা করা যায় ?

৫। ক) রায় ও ডিক্রঅর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করুন ?

খ) ১০-০৩-২০১১ তারিখে “এ” নালিশী সম্পত্তির স্বত্ব ঘোষনা ও খাস দখল উদ্ধারের জন্য ঢাকার প্রথম সহকারী জন্য আদালতে “বি” এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মোকাদ্দমা নং ১৫/২০১৩ রুজু করেন। কিন্তু আদালত দেখেন যে, আরজিতে যে প্রতিকার চাওয়া হয়েছে, তার তায়দাদ কম দেখানো হয়েছে ফলে আদালত ৩১-০৩-১৩ ইং তারিখে মধ্যে তায়দাদ সংশোধন করার নির্দেশ দেন। বাদী আদালতেরি নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হলে আদালত ৭-৮১৩ ইং তারিখে এক আদেশে আরজি খারিজ করে দেন। বাদীর জন্য কি প্রতিকার আছে ?

৬। ক) কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারার স্বীকৃতি সহজাত ক্ষমতা/অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন ?

খ) কোন ক্ষেত্রে আপীলের প্রতিকার সত্ত্বেও প্রয়োগিক আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারেন ?

৭। দেওয়ানী এখতিয়ার এবং দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা বলিতে কি বুঝেন ? নির্দিষ্ট আইনের বিধান উল্লেখপূর্বক ব্যাখ্যা করুন ।

৮। ক) যথাযথ আইন উল্লেখপূর্বক অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত/ মুসাবিদা করুন ?

খ) আরজি সংশোধনের জন্য বাদীর দরখাস্তের মুসাবিদা করুন ? জবাব সংশোধনের জন্য বিবাদীর দরখাস্তের মুসাবিদা করুন? বাদী দাখিলকৃত আরজি সংশোধনী দরখাস্তের (যাহা মামলার বিষয়বস্তু পরিসংখ্যান করে) বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষে একটি আপত্তি মুসাবিদা করুন ?

গ) মোকদ্দমা পুর্নবহালের জন্য একটি দরখাস্ত মুসাবিদা করুন ?

ঘ) নালিশী সম্পত্তি রায়ের আগে ক্রোকের আদেশ প্রার্থনা করে একটি দরখাস্ত মুসাবিদা করুন ?

  ৯। সহ-বাদী ও সহ -বিবাদীদের মধ্যে কি রেস জুডিকেটা প্রযোজ্য হয় ? একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে কি রেসজুডিকেটা প্রযোজ্য ?

Tuesday, October 22, 2013

Group E LA-1908

বাংলাদেশ আইন শিক্ষা Bangladesh Law Education  Page
Group- E
তামাদি আইন ১৯০৮

১। ক) তামাদি মার্জনা বলতে কি বুঝেন ?
খ) কোন আইনের কোন ধারায় তামাদি মার্জনার দরখাস্ত করা যায় ?
গ) কোন কোন প্রকার মামলায় তামাদি আইনের ৫ ধারা প্রযোজ্য ?
ঘ) তামাদি মার্জনা সুবিধা পাওয়ার জন্য একজন প্রার্থীকে যেসব শর্তপূরণ করতে হবে তা ব্যাখ্যা করুন ?
ঙ) মোকদ্দমা পরিচালনায় প্রার্থীর গুরুতর ত্রুটিও অবহেলা প্রমানিত হওয়া সত্বেও কি আদালত মানবিক কারন উল্লেখ তামাদি মার্জনা করতে পারেন।
চ) আদালত কি তামাদি মওকুফের দরখাস্ত মুঞ্জুর করিতে বাধ্য ?
ছ) বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলা বা আপীল তামাদি মওকুফ করার সুযোগ আছে কি ? উত্তরের সমর্থনে যুক্তি দিন ?
২।ক) কোন মোকদ্দমা চুড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য ধার্য্য তারিখে বাদী অসুস্থ হয়ে আদালতে উপস্থিত হতে না পারলে বিবাদীগনের উল্লেখিত মোকদ্দমাটি খারিজ হয়ে যায়। মোকদ্দমাটি খারিজের ৩ তিন মাস পর বাদী আপনার কাছে এসে ঐ একতরফা খারিজের আদেশ রদ ও রহিত ক্রমে তাহা পুনঃজীবিত করার ব্যবস্থ্যা নিতে বলেন তামাদি মওকুফের জন্য আদালতকে সন্তষ্ট্ করতে আপনি কোন কোন বিষয়ের উপর গুরুত্ত আরোপ করবেন ?
খ) তামাদি মওকুফের জন্য ১ টি দরখাস্ত মুসাবিদা করুন ?
৩। ক) স্বীকারপত্র কি ?
খ) স্বীকার পত্র কিভাবে কার্যকর হয় ?
গ) তামাদির উপর স্বীকার পত্র কিভাবে কার্যকর হয় ?
ঘ) রহমান সাহেব ১৫ই জানুয়ারী ১৯৯৭ তারিখে একটি হ্যান্ডনোটের মাধ্যমে করিমের নিকট থেকে ৫০,০০০/- হাজার টাকা ঋণ গ্রহন করে । সে অবশ্যই ২০০১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে লোন গ্রহনের কথা সাক্সীদের সামনে স্বীকার করেন। করিম কি লোনের টাকা উদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারে। আপনি রহমানের আইনজীবি কিভাবে আপনি আপনার মক্কেলের পক্ষ সমর্থন করিবেন ? কারণ সমূহ বর্ণনা করুন ?

নিচের এই পেজে ও গুপে  বাংলাদেশের বর্তমান প্রচলিত আইন সম্পর্কে আলোচোনা ও বার কাউন্সিলের সাজেশান দেওয়া আছে । পেজ লাইক করুন এবং গুপে জয়েন করুন আইন সম্পর্কে জানুন..........

বাংলাদেশ আইন শিক্ষা Bangladesh Law Education  Page
বাংলাদেশ আইন শিক্ষা Bangladesh Law Education Group

Monday, October 21, 2013

Group E

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২
 Group E - Evidence Act - 1872
Group E - এর তামাদি আইন সাজেশান আগামীকাল দেওয়া হবে ...
১। ক) মৃত্যুকালীন ঘোষনা বলিতে কি বুঝায় ?
খ) যদি ঐ রূপ ঘোষনা প্রদানকারীর মৃত্যু না হয়, তাহলে সাক্ষ্য হিসাবে উহার মূল্য আছে কি ?
গ) যদি মৃত্যুকালীন ঘোষনাটি সত্য ও যথার্থ বলিয়া প্রমানিত হয়, শুধুমাত্র উহার উপর নির্ভর করিয়া আসামীকে কি দোষী সাব্যস্ত্য করা যায় ?
২। ক)  সাক্ষ্য আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার আলোকে স্টোপেল এবং ওয়েভার সম্পর্কিত মতবাদ সমূহের ব্যাখ্যা বিশ্লেষন করুন ?
খ) আইনের বিরুদ্ধে স্টোপেল দাবি করা যায় কি ?
৩। ক) স্বীকৃতি ও অপরাধ স্বীকারের মধ্যে পার্থক্য নির্নয় করুন ?
খ) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মতে কোন আসামীর অপরাধের স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার সময় যে সকল আইনী আনুষ্ঠানিকতা একজন ম্যজিষ্ট্রেটের পালন করা প্রয়োজন তা আলোচনা করুন ?
গ) পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তির সাথে আইনের অধীনে কতটুকু গ্রহনযোগ্য ?
৪। ক) নিম্নের সংজ্ঞা লিখন ও পার্থক্য বর্ণনা করুন ?
স্বীকার, স্বীকারোক্তি, মৃত্যুকালীন ঘোষনা
খ) শুধুমাত্র একজন সহ- আসামীর স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে অপর আসামীকে শাস্তি দেয়া যায় কি ?
৫। কোন বিধান মতে সাক্ষীর উক্তি এবং আসামীর স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়। কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এই ধরনের উক্তি রেকর্ড করিতে পারে ?
সর্বক্ষেত্রেই কি ম্যাজিষ্ট্রেটকে তাহার রেকর্ডকৃত উক্তি প্রমানের জন্য পরীক্ষা করিতে হয় ?
ক) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট স্বীকারোক্তি ?
খ) পুলিশের নিকট স্বীকারোক্তি ?
গ) এক্সট্রা জুডিশিয়াল স্বীকারোক্তির আইনগত ফলাফল কি ?

নিয়মিত ব্লগ দেখুন বিভিন্ন আইন এই ব্লগে আলোচনা করা হবে আগামীতে । ইনশাল্লাহ্‌।
বিঃ দ্রঃ বাংলাদেশ আইন শিক্ষা গুপে / বাংলাদেশ আইন শিক্ষা পেজে জয়েন করুন। এখানে বার কাউন্সিলের পরীক্ষার দিন এবং বিভিন্ন আইন কানুন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

GROUP - F



বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ১৯৭২ 
GROUP - F
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল  এর লিখিত পরীক্ষার জন্য সাজেশান  ২০১৩


১। ক) বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কি ?
খ) বার কাউন্সিলের গঠন প্রকৃতি ও কার্যাবলী পর্যালোচনা করুন ?
গ) বার কাউন্সিলকে কি আইনজীবি সম্প্রদায়ের অভিভাবক বলা যেতে পারে ?
ঘ) বার কাউন্সিল ও বার এসোসিয়েশনের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো ?
২। পেশাগত আচরন ও সদাচরন নীতিমালার আলোকে একজন এডভোকেটের আদালত মক্কেলসহ আইনজীবি ও জন সাধারনের প্রতি কর্তব্য ও দায়িত্বের বিবরন দিন ?
৩। ক) The Bangladesh legal practitioner and Bar Council Order and Rules 1972 এর বিধান অনুযায়ী ট্রাইবুনালের গঠন ও কার্যাবলী আলোচনা করুন ?
খ) ট্রাইবুনালের আইনজীবিদের পেশাগত অসাদাচরনের জন্য কি কি ধরনের জন্য কি কি ধরনের শাস্তি প্রদান করতে পারে ?
৪। একজন এডভোকেট কোর্টের বিরতিকারে একজন বিচারকের খাস কামরায় প্রবেশ করেন এবং অপর পক্ষের অনুপস্থিতে একটি মামলায় মুলতবির আদেশপ্রাপ্ত হন। তিনি এ ধরনের কাজ প্রায়ই করেন। আপনি মনে করেন যে, তার এ কাজ The cannons of professional conduct and Etiquette এর লঙ্ঘন ? এক্ষেত্রে আপনি তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করতে মনস্থ করেন। সংশ্লিষ্ট বিধানবলী উল্লেখপূর্বক যথাযথ ভাবে একটি নালিশী দরখাস্ত মুসাবিদা করুন ?
৫। একজন এডভোকেট যিনি অগ্রনী ব্যাংক প্যানেল ল’ইয়ার হিসাবে তাহাদের মামলা দায়ের ও পরিচালনা করিতেন। ২,০০,০০০/- টাকা আদায়ের একটি মোকদ্দমা ব্যাংকের পক্ষে ডিক্রী হয়। ব্যাংক এডভোকেট সাহেবকে ডিক্রী কার্যকরন নিলাম হইতে এডভোকেট সাহেব তাহার চার সন্তানের নামে চারটি কবলা দলিলমূলে সম্পত্তি খরিদ করে। ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্টাক্ট এন্ড এটিকেট এর চ্যাপ্টার ২ এর ৫ নং ধারা অনুযায়ী এডভোকেট সাহেব পেশাগত অসদাচরন করিয়াছেন কিনা বর্ননা করুন।
৬। জনাব X বিচারিক হাকিম আদালতে জমজমাট ভাবে ফৌজদারী মামলা করেন। তিনি ২(দুই) জন ক্লার্ক নিয়োগ করেছেন। তাদের মধ্যে একজন রেলওয়ে ষ্টেশনে এবং অপরজনকে বাসষ্ট্যান্ডে মক্কেল সংগ্রহের জন্য  পাঠিয়েছেন। এই আইনজীবি মামলা সংগ্রহের জন্য ২(দুই) জন ক্লার্কের সহিত তার ফি ও ভাগাভাগি করেন। তিনি The Cannons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী কি অপরাধ করেছেন। বার কাউন্সিলের সচিবকে সম্মেধন করত একটি নালিশী দরখাস্ত মুসাবিদা করুন। যদি X দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তাকে কি শাস্তি প্রদান করা যেতে পারে ?


আগামীকাল অন্যান্য গুপের সাজেশান দেওয়া হবে ..............

Thursday, October 3, 2013

প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে?

অ্যাডভোকেট সিরাজ প্রামাণিক
সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, এম.ফিল গবেষক ও আইনজীবী জজ কোর্ট, কুষ্টিয়া।

এক স্ত্রীর বর্তমানে আরেকটি বিয়ে করাই বহু বিবাহ। ইসলামী আইনে বলা হয়েছে, কেউ যখন বস্তুগত দিক দিয়ে এবং স্নেহ ভালবাসার দিক দিয়ে প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে সমান আচরণ করতে পারবে কেবল তখনই সে চারটি পর্যন্ত বিয়ে করতে পারবে।

তবে বাস্তবে এটা কখনও সম্ভব নয়। কারণ, যে স্বামী নিজের স্ত্রীকে ভালবাসে তার দ্বিতীয় বিয়ে করার ইচ্ছেই হবে না। কাজেই পবিত্র কোরআনে বহু বিবাহকে অনুমতি দেওয়ার চেয়ে একটি বিয়ে করাই উত্তম বলে উল্লেখ করেছে।

আমাদের সমাজে একাধিক স্ত্রী গ্রহণের আইনগত অধিকার স্বামীদের থাকলেও নারীদের ক্ষেত্রে এ ধরণের বিধান নেই। এখানে উল্লেখ্য যে একই সঙ্গে স্বামী চারজনের অধিক স্ত্রী গ্রহণ করতে পারবে না।

বহুবিবাহের আর্থসামাজিক বাস্তবতা
ইসলামে বহুবিবাহের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে ইসলাম আবির্ভাবের প্রথমদিকে একটি ভিন্ন আর্থসামাজিক ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক বাস্তবতায়।

মূলত বিধবা, এতিমদের নিরাপত্তা ও রক্ষার জন্যই ইসলামে এ ধরণের প্রতিকারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সেসময়কার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ওহুদের যুদ্ধে বহু মুসলিম পুরুষ শাহাদত বরণ করেন, ফলে স্বাভাবিকভাবে অভিভাবক ও স্বামীহীন নারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতা বোধ করে।

এসব নারীদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তার জন্য বহুবিবাহ প্রথা চালু হয়।

কোরআন শরীফের বিধান
পবিত্র কোরআন শরিফের সূরা নিসায় পরিষ্কার উল্লেখ আছে, ‘যদি তুমি আশঙ্কা কর যে, এতিমদের প্রতি তুমি সুবিচার করতে পারবে, তবে তুমি এ ধরনের নারীদের বিয়ে করতে পারো যাকে ভাল লাগে তাদের মধ্যে থেকে দুই, তিন অথবা চার। কিন্তু যদি তুমি আশঙ্কা কর যে, এদের মধ্যে তুমি সুবিচার করতে পারবে না তবে তাদের মধ্যে থেকে অথবা যারা তোমার আশ্রয়ে রয়েছে তাদের মধ্য থেকে একজনকেই বিয়ে কর। অন্যায় এড়ানোর এটাই সহজ ও উত্তম ব্যবস্থা।’

এখানে সুবিচারের প্রশ্নে শুধু স্বামীর অর্থনৈতিক সচ্ছলতার সমান ব্যবহারের কথা বলা হয়নি বরং স্নেহ, মায়া, ভালবাসা, আদর সোহাগের বিষয়ে পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে।

একাধিক স্ত্রী গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বামীরা কি আদৌ আদর সোহাগের মতো সূক্ষ্ম অনুভূতির ক্ষেত্রে ন্যায় বিচার করতে পারে? মূলত এটা অসম্ভব তাই বলা যায়, শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন সাপেক্ষে বহু বিবাহকে কঠিন নিষেধাজ্ঞাতে পরিণত করেছে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১
আইনের ধারা ৬ মতে, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে সালিশি পরিষদের নিকট থেকে অনুমতি না নিলে বিয়ে নিবন্ধন হবে না। অনুমতির জন্য ২৫ টাকা ফি দিয়ে সাদা কাগজে চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে হবে এবং আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিয়ের অনুমতি প্রদানে যে সব বিষয়ের প্রতি বিবেচনা করা হবে তার মধ্যে অন্যতম হলো:

১) বর্তমান স্ত্রীর বন্ধাত্য, ২) দৈহিক দৌর্বল্য, ৩) দাম্পত্য জীবন সম্পর্কিত শারীরিক অযোগ্যতা এবং ৪) দাম্পত্য অধিকার পুনর্বহালের জন্য কোনো উম্মত্ততা।

স্ত্রীর অধিকার লংঘনে আইনী প্রতিকার
কোনো পুরুষ যদি সালিশি পরিষদের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন তবে তিনি অবিলম্বে তার বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের আশু বা বিলম্বিত দেন মোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করবেন এবং মোহরানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বকেয়া ভূমি রাজস্ব আদায়ের মতো আদায় করা হবে।

এছাড়াও অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে ১ বছর পর্যন্ত জেল ও ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

পাশাপাশি দণ্ডবিধির ৪৯৪-এর বিধান মতে, স্বামী যা স্ত্রীর জীবনকালে পুনরায় বিয়ে করেন তবে সে ব্যক্তি যে কোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে যার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা উচিৎ, বহু বিয়ের মামলায় বাদীকে সফল হতে হলে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, দ্বিতীয় বিয়ের সময় প্রথম বৈধ বিয়ের অস্তিত্ব ছিল।

বহু বিবাহের আইনগত দিক
বাস্তবতা হলো এই যে, বেশিরভাগ মানুষ কেউ বুঝে, অথবা কেউ না বুঝেই এর অপব্যাখ্যা করেন। ফলে সমাজে কোনো কোনো পুরুষ যথেচ্ছাভাবে একাধিক বিয়ের মধ্য দিয়ে পারিবারিক জীবনে মহা জটিলতার সৃষ্টি করেন, যার ফলে উদ্বেগজনক প্রক্রিয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের সংখ্যা।

এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য ১৯৬১ সালে আইন প্রবর্তন করা হয় যা মুসলিম পাবিরারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ নামে পরিচিত।

এ আইন অনুযায়ী আগে সালিশী পরিষদের নিকট হতে লিখিত অনুমতি না নিয়ে কোনো পুরুষ একটি বিয়ে বলবৎ থাকাকালে আর একটি বিয়ে করতে পারবে না এবং পূর্বানুমতি গ্রহণ না করে এই জাতীয় কোনো বিবাহ হলে তা মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রেশন আইন ১৯৭৪ মালের ৫২ নং আইন মোতাবেক রেজিষ্ট্রী হবে না)।

- বিয়ের অনুমতির জন্য নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে হবে এং আবেদনপত্রে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণ এবং বর্তমানে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সম্মতি নেওয়া হয়েছে কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।

- আবেদনপত্র পাঠাবার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারী ও তার বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণকে তাদের নিজ নিজ প্রতিনিধি মনোনয়ন করতে বলবে এবং সালিশী পরিষদ যদি মনে করে যে, প্রস্তাবিত বিয়েটি প্রয়োজন ও ন্যায়সঙ্গত তা হলে কোনো শর্ত থাকলে সে সাপেক্ষে প্রার্থীর বিয়ের অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

- আবেদনপত্র সম্পর্কে সিদ্ধান্তকালে, সালিশী পরিষদ এ সিদ্ধান্তের কারণগুলো লিপিবদ্ধ করবে এবং কোনো পক্ষ নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট সহকারি জজের পুনর্বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবে এবং এতে সহকারি জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে এবং এর বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

- বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের প্রাপ্য মুয়াজ্জল বা মু-অজ্জল দেনমোহরের টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করবে। যদি সে টাকা পরিশোধ করা না হয় তা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্ব রূপে আদায় করা হবে।

বহু বিবাহেরে ক্ষেত্রে ইউপি চেয়ারম্যান সাহেবের দায়-দায়িত্ব
১. বহু বিবাহের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান সাহেব স্বামীকে অনুমতি দিতেও পারে আবার নাও দিতে পারে।
২. যদি কোনো স্বামী সালিশী পরিষদের মাধ্যমে অনুমতি পেয়ে যায় তাহলে চেয়ারম্যান সাহেব তাকে স্মারক নং-সহ দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি প্রদান করবে।
৩. অনুমতি ছাড়া স্বামী বহু বিবাহ করলে চেয়ারম্যান সাহেব তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বর্তমান স্ত্রীকে উদ্বুদ্ধ করতে পারবে।
৪. সালিশী পরিষদের অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তি যদি অন্য একটি বিয়ে করে, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহেব ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।

বহু বিবাহের ক্ষেত্রে কাজী সাহেবের দায়-দায়িত্ব
বিবাহটি বরের বহু বিবাহ কিনা তা যাচাই করবে।

সলিশী পরিষদের লিখিত অনুমতি আছে কিনা তা দেখবে।

সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কাজী সাহেব যে কোনো পন্থা অবলম্বন করতে পারেন আবার সন্দেহ হলে বিয়েটি নাও রেজিস্ট্রি করতে পারেন।



ফৌজদারী কার্যবিধি
১।ফৌজদারী কার্যবিধি কত সালে প্রতিষ্টিত হয় ?
উত্তর- ১৮৯৮ সালের ১ লা জুলাই ৫ নং আইন ।
২।ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৫৬৫টি ধারা আছে।
৩।ফৌজদারী কার্যবিধিতে - ৪(১)(খ) জামিনযোগ্য অপরাধের সংঞ্জা দেওয়া আছে।
৪।ফৌজদারী কার্যবিধিতে - ৪(১)(ন)পাবলিক প্রসিকউটর এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে। - ৫।ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৪(১)(ক)এডভোকেটের সংজ্ঞা দেওয়া আছে।
৬।ফৌজদারী কার্যবিধির- ৪(১)(চ) ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের সংজ্ঞা দেয়া আছে।
৭।ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৪(১)(জ)ধারায় নালিশের সংজ্ঞা দেয়া আছে।
৮।ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৪(১)(ট)ধারায় ইনকোয়ারীর সংজ্ঞা দেয়া আছে।
৯।ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৪(১)(ঠ)ধারায় তদন্ত(ইনভেষ্টিগেশানের)সংজ্ঞা দেয়া আছে।
১০।ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৪(১)(ঢ)ধারায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংজ্ঞা দেয়া আছে।
১১।ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৪(১)(ণ)ধারায় অপরাধের সংজ্ঞা দেয়া আছে।
১২।ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৪(১)(গ)ধারায় চার্জের সংজ্ঞা দেয়া আছে।
১৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৬ ধারা মতে জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত আসামীর জামিনের দরখাস্ত করতে হয়।
১৪।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারামতে জামিনের অযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত আসামীর জামিনের দরখাস্ত করতে হয়। 
১৫।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা অনুসারে গ্রেফতার পূর্ বা অগাম জামিনের আবেদন করতে হয়।
১৬।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৮(২) ধারা মতে এক ম্যাজিষ্ট্রেট হতে অন্য ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে হয়।
১৭।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬ ধারা মতে ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের হাইকোর্টে দরখাস্ত করা হয়।এই বিধান মতে হাইকোর্ট বিভাগ মামলা স্থানান্তর করবার আদেশ বা স্বয়ং বিচার করতে পারবেন।
১৮।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা মতে পুলিশ অফিসার জবানবন্দী গ্রহন করে বা পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়।
১৯।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেট জবাবন্দী বা স্বীকারোক্তি গ্রহন করেন।
২০।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারা মতে পুলিশ সন্দেহজনকভাবে চলাফেরা করা ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করে।
২১।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আসামীর অব্যাহতি(Discharge) করা হয়।
২২।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫গ ধারা মতে দায়রা আদালতে আসামীকে অব্যাহতি(Discharge)করা হয়।
২৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৬(১)ধারায় গ্রেপ্তারের সংজ্ঞা দেওয়া আছে।
২৪।ফৌজদারী কার্যবিধির ৮৭ ধারাতে হুলিয়া জারীর বিধান আছে।
২৫।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১ক ধারাতে হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power)এর কথা আছে।
২৬।ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭,১৪৪,১৪৫ ইত্যাদি ধারাসমূহ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা বিশেষ ক্ষমতাবান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কোটে বিচার নিষ্পত্তি হয়।
২৭।ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারা মতে পুলিশ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টা আটক রাখতে পারে।
২৮।বর্তমানে নালিশী মামলা চীফ জুডিশিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে দায়ের করতে হয়।
২৯।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪২ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে চার্জ গঠন করা হয় এবং অভিযোগের সংক্ষিপ্ত সার বিবৃতি করতে হবে।
৩০।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫ঘ ধারা মতে দায়রা আদালতে চার্জ গঠন করা হয়।
৩১।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা মতে Bail Bonds এর অর্থ অতিরিক্ত হলে কমানো যায়।
৩২।নালিশী মাললা খরিজ হলে - রিভিশন করতে হবে।
৩৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ এবং ৪৩৯ক ধারায় রিভিশন সম্পর্কে বর্নিত আছে।
৩৪।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ এবং ৩৬৪ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেট স্বীকারোক্তি রেকর্ড করবেন।
৩৫।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ ধারা মতে পুলিশ অফিসার রিপোর্ট দেয়।
৩৬।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারা মোতাবেক পুলিশ অফিসার Case Diary সংরক্ষন করে থাকেন বা তদন্তের বিবরণ সম্বলিত ডাইরী সংরক্ষন করে থাকেন।
৩৭।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় রিমান্ড সম্পর্কে বলা আছে।
৩৮।ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারায় সদাচরনের জন্য মুচলেকা নেয়া হয়।
৩৯।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৮ ধারা মতে নালিশ প্রত্যাহার করা হয়।
৪০।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৪(৩)ধারায় ময়না তদন্ত সম্পর্কে বলা আছে।
৪১।ফৌজদারী কার্যবিধির ৬৩ ধারা অনুসারে গ্রেফতাররকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ নিজমুচলেকায় ছেড়ে দিতে পারেন।
৪২।ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মতে মামলা আপোষ মীমাংসা করা হয়।
৪৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারা অনুসারে আসামী অসুস্থ হলে, আসামী বৃদ্ধ হলে, অভিযুক্ত আসামী ১৬ বছরের বয়স্ক হলে জামিনে মুক্তি দেয়া যায়।
৪৪।ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা হয়।
৪৫।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৫ ধারায় ভবঘুরে অভ্যাসগত দস্যুদের গ্রেফতার সম্পর্কিত বিধান আছে।
৪৬।ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারা মতে অপরাপর ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকা করা হয়।
৪৭।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় এফ.আই.আর (FIR) বা আমলযোগ্য কেসের কথা/খবর বলা হয়েছে।
৪৮।ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৫ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীর ব্যক্তিগত উপস্থিতি মাফ করতে পারেন।
৪৯।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৩ ধারা মতে সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে ম্যজিষ্ট্রেট দন্ড দিবেন।
৫০।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫ঘ ধারায় দায়রা জজ আদালতে চার্জ প্রনয়ন করার বিধান দেয়া হয়েছে।
৫১।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারা মতে আসামী দোষ স্বীকার করায় দায়রা জজ দন্ডাদেশ দিবেন।
৫২।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫ট ধারায় দায়রা জজ কর্তৃক খালাস বা দন্ডাদেশ প্রদানের বিধান আছে।
৫৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামীর জবানবন্দী গ্রহনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
৫৪।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না এমন বিধান দেয়া আছে।
৫৫।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১০ ধারায় দায়রা আদালতের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল  সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৫৬।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপীল সম্পর্কে বর্নিত  আছে।
৫৭।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারায় আপীলকারী করাগারে থাকলে যেসব কার্যবিধি অনুসরণ করতে হবে তার বিবরণ দেয়া আছে।
৫৮।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজের রিভিশনের ক্ষমতা বর্নিত আছে।
৫৯।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৪(১) ধারা মতে সুরতহাল প্রস্তুত হবে।
৬০।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৪(৩) ধারা মতে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হবে।
৬১।ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩৭ ধারা মতে অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমার প্রস্তাব দেয়া হয়।
৬২।ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায় অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমার প্রস্তাব দেবার নির্দেশ দানের ক্ষমতা দেয়া আছে।
৬৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩৯ ধারায় যাকে ক্ষমার প্রস্তাব করা হয়েছে তার বিচার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৬৪।ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান রায়ের ভাষা, বিষয়বস্তু ও বিকল্প রায়।
৬৫।ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৯৯ ধারায় তরুন অপরাধীদের চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার বিধান রাখা হয়েছে।
৬৬।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১০ ধারা মতে দায়রা আদালতের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়।
৬৭।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আপীলকারীকে জামিনে মুক্তি দান সম্পর্কে বিধান আছে।
৬৮।ফৌজদারী কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারী আদালতের শ্রেনীবিভাগ দেয়া আছে।
৬৯।ফৌজদারী কার্যবিধির ৬ ধারা মতে ফৌজদারী আদালত ২ প্রকার।
৭০।ফৌজদারী কার্যবিধির ৬ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ২ প্রকার।
৭১।ফৌজদারী কার্যবিধির ৬ ধারা মতে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ৪ প্রকার।
৭২।ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজের বিধান আছে।
৭৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৪ ধারায় ওয়ারেন্ট বা সমন প্রদানের বিধান আছে।
৭৪।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭(৫)ধারা মতে জামিন বাতিল করা হয়।
৭৫।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৯ ধারা অনুসারে আসামী ও জামিনদারের বন্ড নেয়া হয়।
৭৬।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০০ ধারা মোতাবেক আসামী কারাগার থেকে মুক্তি লাম করেন।
৭৭।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৪ ধারা মতে আদালত বন্ড বাজেয়াফ্‌তির পর বন্ডাবন্ধ ব্যক্তিকে বন্ডে উল্লেখিত অর্থ পরিশোধ করার অথবা কারণ দর্শানোর আদেশ দিতে পারেন।
৭৮।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১২ ধারা মতে আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহন করা যায়।
৭৯।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৮(১) ধারায় দায়রা জজ কর্তৃক তার অধীনস্ত দায়রা আদালতের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা দেয়া আছে।
৮০।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারী করা হয় ১। আইনসঙ্গতভাবে নিযুক্তি কোন ব্যক্তির প্রতি বাঁধা, বিরক্তি বা আঘাত অথবা বাধা,বিরুক্তি বা আঘাতের ঝুঁকি ২।মানুষের জীবন,স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ। ৩।সর্বসাধারণের প্রশান্তির ব্যাঘাত বা কোন দাঙ্গা বা দাঙ্গা হাঙ্গামার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৪৪ ধারা অনুসারে জারীকৃত আদেশ ২ মাস সময়ের অধিককাল কার্যকর থাকে না।তবে সরকার জারীকৃত আদেশের সময়সীমা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির দ্বারা বর্ধিত করতে পারে।
৮১।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারা জারী করা হয় - জমি,পানি বা উহার সীমানা নিয়ে এমন বিরোধ যা শান্তিভংগ ঘটাতে পারে।
৮২।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৫ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে বেকসুর  খালাস(Acquital) বা দন্ড দিয়ে থাকেন।
৮৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হেবিয়াস কর্পাস জাতীয় নির্দেশ দানের ক্ষমতা সম্পর্কে বিধান আছে।
৮৪।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৪ ধারায় মামলা পরিচালনা প্রত্যাহারের ফল সম্পর্কে বলা আছে।
৮৫।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৯০ ধারা নালিশী মামলা C.R case এর পূর্ণাঙ্গ রুপ- Complaint Register Case.
৮৬।ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা মোতাবেক নালিশী মামলা দায়েরর পর ম্যাজিষ্ট্রেট ফরিয়াদীর জবানবন্দী গ্রহন করেন।
৮৭।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ ধারা এবং PRB এর ২৭২ নিয়ম অনুসারে পুলিশ আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।
৮৮।ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৭ ধারা মোতাবেক নালিশী মামলায় ফরিয়াদী আদালতে অনুপস্থিত থাকলে আদালত মামলা খারিজ করবেন।
৮৯।ফৌজদারী কার্যবিধির ৯ ধারায় দায়রা আদালত সম্পর্কে বলা আছে।
৯০।ফৌজদারী কার্যবিধির ১০ ধারায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সম্পর্কে বলা আছে।
৯১।ফৌজদারী কার্যবিধির ১১ ধারায় জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সম্পর্কে বলা আছে।
৯২।ফৌজদারী কার্যবিধির ১২ ধারায় বিশেষ ম্যাজিষ্ট্রেট সম্পর্কে বলা আছে।
৯৩।ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮ ধারায় মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ সম্পর্কে বলা আছে।



Saturday, January 18, 2014

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন.........

                                             মোকাম বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত, পিরোজপুর
                                                      সূত্র দেওয়ানী মোকদ্দমা নং- ০৭/১৪
 আবুদ হোসেন
ঠিকানা................
......................... বাদী/দরখাস্তকারী

                     বনাম

আনোয়ার হোসেন
ঠিকানা...........................
.................................... বিবাদী

বিষয়: দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ৩৯ আদেশের ১ ও ২ বিধি ও ১৫১ ধারামতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন।


বাদী/ দরখাস্তকারীর পক্ষে বিনীত প্রার্থনা এই যে,
১। যেহেতু বাদী/ দরখাস্তকারী গত ২০.০১.২০১৪ ইং তারিখে অত্র বিজ্ঞ আদালতে বিবাদী পক্ষের বিরুদ্ধে একটি স্বত্ব ঘোষনা ও দখল সাব্যস্থকরনের জন্য ০৭/১৪ নং মোকদ্দমা দায়ের করেছেন, যা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে বটে।।।
২। যেহেতু বিবাদী পরধন লোভে মত্ত, সন্ত্রাসী ও খারাপ প্রকৃতির লোক বটে। এলাকায় বিবাদী একজন দখলদার ও সন্ত্রাসী লোক বলে পরিচিত। বাদী তার বিরুদ্ধে স্বত্ব ঘোষনা ও দখল সাব্যস্তকরনের মোকদ্দমা দায়ের করার পর বিবাদী বিভিন্নভাবে তাকে হুমকি দিচ্ছে যে, তাকে সে দেখে নিবে এবং তার অনিষ্ট করবে।
৩। যেহেতু বিবাদী এলাকায় বলে বেড়াচ্ছে যে, আদালত যদি তার পক্ষে ডিক্রি নাও দেয় সে অবৈধভাবে হলেও উক্ত জমি  দখলে নিবে এবং বাদীপক্ষকে উক্ত জমি থেকে উচ্ছেদ করবে ।।
৪। যেহেতু নালিশী জমিতে বাদী পক্ষের ফল- ফলাদীর গাছপালা ও একটি অস্থায়ী ঘর রয়েছে বাদী পক্ষ উক্ত ফল ফলাদী ভোগ করেন এবং অতিরিক্ত ফল ফলাদী বাজারে বিক্রী করে সংসারের কাজে লাগান ।
৫। যেহেতু  বাদীপক্ষ বিশ্বস্তসূত্রে জানতে পেরেছেন যে, বাদীর দায়েরকৃত মোকদ্দমা বানচালের হীন উদ্দেশ্যে বিরধীয় সম্পত্তিতে একটি স্থায়ী ঘর তোলার পায়তারা করছেন।
৬। যেহেতু বিবাদী বিরধীয় নালিশী সম্পত্তি নিয়ে দায়েরকৃত মোকদ্দ্মাটি বর্তমানে চুড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে রয়েছে। এমতাবস্তায় বিবাদী যদি ভোরপূর্বক বিরধীয় সম্পত্তিতে কোন স্তায়ী ঘর তোলেন তাহলে বিরধীয় সম্পত্তির অবকাঠামোর পরিবর্তন হবে এবং বাদী মারাত্মক ক্ষতির সমূখিন হবে এবং তার আয় রোজগারের পথে বাধা সৃষ্টি হবে।
৭। যেহেতু বিবাদী বিরোধীয় নালিশী সম্পত্তিতে যাতে স্থায়ীভাবে কোন ঘর তুলতে না পারে এবং কোন গাছপালা কাটতে না পারে, সে জন্য বিবাদীর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করা একান্ত প্রয়োজন বটে।


অতএব বিজ্ঞ হুজুর আদালতে প্রার্থনা এই যে, উপরোক্ত অবস্থা ও কারণাধীন ন্যায় বিচারের বৃহত্তর স্বার্থে উক্ত মোকদ্দমার বিচার চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাহাতে বিরোধীয় নালিশী সম্মতিতে কোন প্রকার ক্ষতিসাধন করতে না পারে সে জন্য বিবাদীর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানে হুজুরের মর্জি হয় এবং আপনার এরুপ আদেশের জন্য বাদী/দরখাস্তকারী চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।

                                                                                                                         অদ্য তারিখ- ১৮-১-১৪ইং

                            তফসিল

জেলা - পিরোজপুর , থানা-  পিরোজপুর
মৌজা- দাউদপুর, খতিয়ান- ১০২
দাগ নং ১২০৫, সম্পত্তির পরিমান- ৬ শতক।

                                    চৌহদ্দি

উত্তরে- সরকারী  রাস্তা।  দক্ষিনে - পিরোজপুর
পূর্ব- আবুল কাশেমের জমি। পশ্চিমে- মোতালেবের পুকুর ।

                                                                             হলফনামা

আমি মো- আবুল হোসেন, পিতা- কাবুল হোসেন, গ্রাম- দাউদপুর, থানা- পিরোজপুর, বয়স- ৩৫, পেশা- কৃষিকাজ, জাতীয়তা- জন্মসূত্রে বাংলাদেশী , শপথপূর্বক ঘেষনা করছি যে, উপরোক্ত বিবরন আমার বক্তব্য মতে সত্য এবং সঠিক জেনে আমার নিযুক্ত আইনজীবীর চেম্বারে বসে নিজ নাম স্বাক্ষর করিলাম।

                                                                                                                                           স্বাক্ষর -

অত্র হলফকারী আমার পরিচিত মক্কেল তিনি আমার চেম্বারে বসে দরখাস্ত করেছেন। আমি তাকে সনাক্ত করলাম।

                                                                                                                                       এডভোকেট
                                                                                                                                তাং-

No comments:

Post a Comment